Skip to main content

Posts

দেবী সুরেশ্বরী ভগবতী গঙ্গে,ত্রিভুবনতারিণি তরল তরঙ্গে

 || দেবী সুরেশ্বরী ভগবতী গঙ্গে,ত্রিভুবনতারিণি তরল তরঙ্গে || 💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦 আজ দশহরা গঙ্গা পূজা। গঙ্গা কলিযুগে পরম তীর্থ । বিশেষ করে সব শাস্ত্রই এই কথা বলে। মহাভারতে ঋষি পুলস্ত্য, ভীস্মের নিকট কীর্তন করেছেন- “যেখানে গঙ্গা আছেন সেটাই দেশ, গঙ্গা তীরের সেই দেশই তপোবন ও সিদ্ধ তীর্থ।” আর্য্য দিগের প্রাচীন ধর্মগ্রন্থেও ‘গঙ্গা’ নাম উল্লেখ আছে । গঙ্গা বৈদিকী নদী । ঋক্ বেদের একটি শ্লোকে যমুনা, সরস্বতী, শতুদ্রী , পরুষ্ণী , অসিক্লী , মরুৎবৃধা , বিতস্তা , সুষোমা ও আর্জীকিয়া নদীর সাথে গঙ্গার নাম পাওয়া যায় ( ঋক্- ১০/৭৫/০৫) পুরাণ মতে স্বর্গ বাসিনী এই গঙ্গা দেবীকে মর্তে এনেছিলেন সগর রাজার বংশজ রাজা ভগীরথ । তিনি আবার ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের কূলের পূর্বপুরুষ । পৌরাণিক আখ্যান মতে সগর রাজার ষাটি হাজার পুত্র কপিল শাপে ভস্ম হলে, তাহাদিগের প্রেতাত্মার মুক্তির জন্য স্বর্গ থেকে গঙ্গা কে আনবার প্রয়োজন হয় । তপস্যা করতে করতে একে একে রাজা সগর, অসমঞ্জ, অংশুমান, দিলীপ রাজা দেহ ত্যাগ করেন। অবশেষে দিলীপ পুত্র ভগীরথ সফল হন। গঙ্গাকে মর্তে আনতে পারেন । ভোগোলিক তথ্যে গঙ্গার উৎপত্তি গোমুখী শৃঙ্গ ...

|| দেবী সুরেশ্বরী ভগবতী গঙ্গে,ত্রিভুবনতারিণি তরল তরঙ্গে || 💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦💦 আজ দশহরা গঙ্গা পূজা। গঙ্গা কলিযুগে পরম তীর্থ । বিশেষ করে সব শাস্ত্রই এই কথা বলে। মহাভারতে ঋষি পুলস্ত্য, ভীস্মের নিকট কীর্তন করেছেন- “যেখানে গঙ্গা আছেন সেটাই দেশ, গঙ্গা তীরের সেই দেশই তপোবন ও সিদ্ধ তীর্থ।” আর্য্য দিগের প্রাচীন ধর্মগ্রন্থেও ‘গঙ্গা’ নাম উল্লেখ আছে । গঙ্গা বৈদিকী নদী । ঋক্ বেদের একটি শ্লোকে যমুনা, সরস্বতী, শতুদ্রী , পরুষ্ণী , অসিক্লী , মরুৎবৃধা , বিতস্তা , সুষোমা ও আর্জীকিয়া নদীর সাথে গঙ্গার নাম পাওয়া যায় ( ঋক্- ১০/৭৫/০৫) পুরাণ মতে স্বর্গ বাসিনী এই গঙ্গা দেবীকে মর্তে এনেছিলেন সগর রাজার বংশজ রাজা ভগীরথ । তিনি আবার ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের কূলের পূর্বপুরুষ । পৌরাণিক আখ্যান মতে সগর রাজার ষাটি হাজার পুত্র কপিল শাপে ভস্ম হলে, তাহাদিগের প্রেতাত্মার মুক্তির জন্য স্বর্গ থেকে গঙ্গা কে আনবার প্রয়োজন হয় । তপস্যা করতে করতে একে একে রাজা সগর, অসমঞ্জ, অংশুমান, দিলীপ রাজা দেহ ত্যাগ করেন। অবশেষে দিলীপ পুত্র ভগীরথ সফল হন। গঙ্গাকে মর্তে আনতে পারেন । ভোগোলিক তথ্যে গঙ্গার উৎপত্তি গোমুখী শৃঙ্গ থেকে। আকাশ ( স্বর্গ ) থেকে পতিত মেঘের জল ও তুষার গলিত জল একত্রিত হয়ে গঙ্গা নদীর সৃষ্টি। গঙ্গা যেখানে অলকানন্দার সহিত মিলিত হয়েছেন সে স্থানের নাম দেবপ্রয়োগ । যেখানে যমুনা ও গপ্তা সরস্বতীর সাথে মিলিত হয়েছেন সে স্থানের নাম ‘প্রয়োগ’ বা ‘ত্রিবেনীসঙ্গম’। গঙ্গার সহিত গোমতী, ঘর্ঘরা, শোন, বরুণা, অসি, গণ্ডকী, কুশী, রূপনারায়ন ইত্যাদি বহু নদ নদী মিলিত হয়েছে । উত্তর ভারতের বহু তীর্থ যেমন হরিদ্বার, প্রয়োগ, কাশী, নবদ্বীপ, দক্ষিণেশ্বর, কালীঘাট তীর্থ গঙ্গার ধারেই । গঙ্গা পাপানাশিনী, কলি কলুষ নাশিনী । শ্রীশ্রী ঠাকুর নিজের মুখে বলেছিলেন আমাদের মা ই স্বয়ং গঙ্গা— যোগেন-মার মনে একবার সংশয় আসে - 'ঠাকুর অমন ত্যাগী ছিলেন, আর মাকে দেখছি ঘোর সংসারীর মতন - ভাই, ভাই-পো, ভাই-ঝিদের জন্য অস্থির। কিছুই বুঝতে পারি না।' এরপর একদিন গঙ্গার ঘাটে ধ্যান করতে বসে তিনি দেখলেন, ঠাকুর সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন, "দেখ, গঙ্গায় কি ভাসছে।" যোগেন-মা দেখেন একটি সদ্যোজাত শিশু নাড়িভুঁড়ি-জড়ানো গঙ্গায় ভেসে যাচ্ছে। ঠাকুর বললেন, "গঙ্গা কি কখনো অপবিত্র হয়? না তাকে কিছু স্পর্শ করে? ওকে তেমনি জানবে। ওর উপর সন্দেহ এনো না, ওকে একে (নিজেকে দেখিয়ে) অভেদ জানবে।" গঙ্গার ঘাট থেকে ফিরে এসে যোগেন-মা মাকে প্রণাম করে বললেন, "মা আমায় ক্ষমা কর।" মা বললেন, "কেন যোগেন, কি হয়েছে?" তখন যোগেন-মা সব ঘটনাটি বলে বললেন: "তোমার উপর অবিশ্বাস এসেছিল। তা আজ ঠাকুর আমাকে দেখিয়ে দিলেন।" মা একটু হেসে বললেন, "তার আর কি হয়েছে? অবিশ্বাস তো আসবেই। সংশয় আসবে, আবার বিশ্বাস হবে। এই রকম করেই তো বিশ্বাস হয়। এই রকম হতে হতে পাকা বিশ্বাস হয়।" ♦️১৯১৯ সালে মা তখন কোয়ালপাড়ায় ছিলেন। দশহরার দিন কয়েকজন ভক্ত মায়ের পায়ে পদ্মফুল দিয়ে পুজো করে চলে গেলেন। পরে মা সেবক-কে জিজ্ঞাসা করলেন, "আজ কি যে ছেলেরা সব পায়ে ফুল দিয়ে গেল?" সেবক বললেন, "আজ দশহরা তাই।" মা একটু হেসে বললেন, "ওমা, আমি মনসা নাকি?" পরে ঠাকুরের পটের দিকে হাতজোড় করে বললেন, "উনিই মনসা, গঙ্গা, সব।" আজ তাই দশহরার পূণ্যদিনে চির পবিত্রতাস্বরূপিণী গঙ্গারূপিণী শ্রীশ্রীমায়ের চরণে জানাই শতকোটি প্রণতি। 👉আজ দশহরা গঙ্গা পূজা। দশবিধ ফল দিয়ে দেবী গঙ্গার পূজার বিধি। দেবী যাহাতে কর্মফল হরণ করে মুক্তি বা মহাফল প্রদান করেন। আচার বশত আজকের দিনে মনসা পূজাও দেখা যায়। আজ বটুকভৈরবের আবির্ভাব তিথি । শ্রীমতী গঙ্গামাতা গোস্বামিনীর আবির্ভাব তিথি 🙏🙏 শ্রীল বলদেব বিদ্যাভূষণের তিরোভাব তিথি🙏🙏

  জপ করার সময় অনেক আজে-বাজে  চিন্তা কেনো আসে ❓  বহু দিন ধরে কোনো স্থানে ধুলো ময়লা জমা হয়ে পড়ে থাকে। কিন্তু যখন আপনি ঝাড়ু দিয়ে সেগুলি পরিষ্কার করতে যাবেন, অমনি অনেক ধুলোবালি উড়তে থাকে, নাকে মুখে ঢোকে।  ঝাড়ু দেওয়া হচ্ছিল না, ধুলো বালি তেমন উড়ছিল না। ঝাড়ু দেওয়া শুরু হলো, অমনি ধুলো উড়তে শুরু করলো। তেমনই, বহু দিন ধরে হৃদয়ে নানা কলুষ জমা হয়ে আছে। কিন্তু যখন আপনি হরিনাম করে সেগুলি পরিষ্কার করতে যাচ্ছেন, অমনি অনেক আজেবাজে কলুষ ভাবগুলি উড়তে থাকে। সেইসব চিন্তা আসে।  হরিনাম হচ্ছিল না, কলুষ ভাবগুলিও ধরা পড়ছিল না, চুপচাপ জমা ছিল। হরিনাম শুরু হলো, অমনি কলুষ ভাবগুলি জাগতে লাগলো। এটিই হচ্ছে চিত্ত মার্জনের প্রথম বৈশিষ্ট্য।  ধুলো উড়লেও ঝাড়ু দিতে দিতে পরিষ্কার হয়ে গেলে স্থান পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে, তেমনই আজে বাজে চিন্তা এলেও হরিনাম করতে করতে চিত্ত শুদ্ধ হয়ে যাবে।  নামপরায়ণ ভক্তের হৃদয় যখন চার রকমের অনর্থ থেকে মুক্ত হবে তখন বিশুদ্ধ নাম উচ্চারিত হবে।  অর্থাৎ, ১) হৃদদৌর্বল্য (কৃষ্ণসম্বন্ধহীন বিষয়ে আসক্তি, প্রতারণা ও দোষ দর্শনের প্রবণতা, ঈর্ষা, প্...

বিপদতারিনী বা বিপদনাশিনী কে ?

  শ্রী_শ্রী_বিপত্তারিনী_বা_বিপদনাশিনী_পূজা*              🕉️✧═══════•❁❁•═══════✧🕉            আজ শ্রী শ্রী বিপত্তারিনী বা বিপদনাশিনী পূজা। জয় মা আদী শক্তি🔱 👉বিপদতারিনী বা বিপদনাশিনী কে  ?  যিনি সমগ্র বিপদ থেকে রক্ষা করেন বা যিনি বিপদ সমূহ নাশ করেন তিনিই বিপদতারিনী । যিনি দুর্গা তিনিই বিপদতারিনী । তিনি পুরাণে কৌষিকীদেবী নামে খ্যাতা । আবার তিনিই জয়দুর্গা । দেবীর উৎপত্তি হয়েছিলো ভগবান শিবের অর্ধাঙ্গিনী দেবী পার্বতীর  কোষিকা থেকে- তাই তিনি কৌষিকী । পুরাণ মতে শুম্ভ ও নিশুম্ভ নামক দুই অসুরের হাতে দেবতারা পরাজিত হয়ে হিমালয়ে গিয়ে মহামায়ার স্তব করতে লাগলেন । সেই সময় ভগবতী পার্বতী সেই স্থান দিয়ে যাচ্ছিল্লেন। দেবী তাদের স্তব শুনে বললেন – “ আপনারা এখানে কার স্তব করিতেছেন ? ” 👉সেই সময় ভগবতী পার্বতীর শরীর থেকে তার মতন দেখতে আর এক জন দেবী বের হয়ে আসলেন । সেই নব আবির্ভূতা দেবী জানালেন – “ ইহারা আমারাই স্তব করিতেছেন ।” 👉এই দেবী যুদ্ধে শুম্ভ ও নিশুম্ভ নামক অসুরের বধ করেছিলেন । এই দেবী মোহাচ্ছন্ন শুম্ভাসুরকে অদ্বৈত জ্...

'মোহিনী' একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা

কুর্মপুরাণে বৈশাখ শুক্লপক্ষের 'মোহিনী' একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে।  মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন--হে জনার্দন! বৈশাখ শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর কি নাম, কি ফল, কি বিধি--এসকল কথা আমার নিকট বর্ণনা করুন।  উত্তরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন--হে ধর্মপুত্র! আপনি আমাকে যে প্রশ্ন করেছেন পূর্বে শ্রীরামচন্দ্রও বশিষ্ঠের কাছে এই একই প্রশ্ন করেছিলেন।  তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন--হে মুনিবর! আমি জনকনন্দিনী সীতার বিরহজনিত কারনে বহু দুঃখ পাচ্ছি। তাই একটি উত্তম ব্রতের কথা আমাকে বলুন। যার দ্বারা সর্বপাপ ক্ষয় ও সর্বদুঃখ বিনষ্ট হয়।  এই কথা শুনে বশিষ্ঠ বললেন--হে রামচন্দ্র!  তুমি উত্তম প্রশ্ন করেছ। যদিও তোমার নাম গ্রহণেই মানুষ পবিত্র হয়ে থাকে। তবুও লোকের মঙ্গলের জন্য তোমার কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ ও পরমপবিত্র একটি ব্রতের কথা বলছি।  বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশী 'মোহিনী' নামে প্রসিদ্ধা। এই ব্রত প্রভাবে মানুষের সকল পাপ, দুঃখ ও মোহজাল অচিরেই বিনষ্ট হয়। তাই মানুষের উচিত সকল পাপক্ষয়কারী ও সর্বদুঃখবিনাশী এই একাদশী ব্রত পালন করা। একাগ্রচিত্তে তার মহিমা তুমি শ্রবণ কর। এই কথা শ্রবণ...

বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য

বৈশাখ কৃষ্ণপক্ষীয়া বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তর পুরাণে যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে বর্ণনা করা হয়েছে।  যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বললেন--হে বাসুদেব! আপনাকে প্রণাম। বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী কি নামে প্রসিদ্ধ এবং তার মহিমাই বা কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।। শ্রীকৃষ্ণ বললেন-- হে রাজন!  ইহলোক ও পরলোকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী 'বরুথিনী' নামে বিখ্যাত। এই ব্রত পালনে সর্বদা সুখলাভ হয় এবং পাপক্ষয় ও সৌভাগ্য প্রাপ্তি ঘটে। দুর্ভাগা স্ত্রীলোক এই ব্রত পালনে সর্বসৌভাগ্য লাভ করে থাকে। ভক্তি ও মুক্তি প্রদানকারী এই ব্রত সর্ব পাপহরণ ও গর্ভবাস যন্ত্রণা বিনাশ করে। এই ব্রত প্রভাবে মান্ধাতা, ধুন্ধুমার আদি রাজারা দিব্যধাম লাভ করেছেন। এমনকি মহাদেব শিবও এই ব্রত পালন করেছিলেন। দশ হাজার বৎসর তপস্যার ফল কেবলমাত্র এক বরুথিনী ব্রত পালনে লাভ হয়। যে শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি এই ব্রত পালন করেন তিনি ইহলোক ও পরলোকে সমস্ত প্রকার বাঞ্ছিত ফল লাভ করেন।  হে নৃপশ্রেষ্ঠ!  অশ্বদান অপেক্ষা গজদান শ্রেষ্ঠ, গজদান থেকে ভূমিদান, তা থেকে তিলদান, তিলদান থেকে স্বর্ণদান এবং তা অপেক্ষাও অন্নদান...

কুসংস্কার

🚩কুসংস্কারের কারণে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ধর্মের সুফল পাচ্ছে না 🚫কুসংস্কার  পূর্ব পুরুষের  ঐতিহ্য দিয়ে ধর্ম হয় না 🙏 কুসংস্কার ১/ শ্রাদ্ধের সময় মাছ দিতে হবে।  কুসংস্কার ২/একাদশী বিধবারা করবে,  সধবারা করতে  পারবে না।   কুসংস্কার ৩/বংশে কে মারা গেলে বা জন্ম নিলে অশৌচো কালে ভগবানের সেবা পূজা করতে পারবেনা  মায়েদের ঋতুরছাব কালে হরিনাম জপ করতে পারবে না   কুসংস্কার ৪/গীতা পড়লে মাহাত্ম্য পড়তে হবে, মাহাত্ম্য না পারলে গীতা পরা ব্যর্থ হবে   কুসংস্কার ৫/আমাদের পূর্বপুরুষেরা যার থেকে দীক্ষা নিয়েছে তার থেকে দীক্ষা নিতে হবে   কুসংস্কার ৬/দীক্ষা  না নিলে হরিনাম একাদশী করতে পারবে না   কুসংস্কার ৭/বাবা-মার সেবা করলে ভগবানের সেবা করতে হয় না   কুসংস্কার ৮/দেব দেবী আর ভগবান এক,, যে কারো একজনের উপাসনা করলেই হল।   কুসংস্কার ৯/ মানুষ মরলে তার বুকের উপর গীতা দিতে হবে   কুসংস্কার ১০/ গীতা কে লালসালু দিয়ে বেঁধে রাখতে হবে,   কুসংস্কার ১১/আত্মাকে কষ্ট দিয়ে ধর্ম হয় না, মন...

শ্রী শ্রী রামচন্দ্রের ২৪টি গুণাবলী

বাল্মীকি কর্তৃক জিজ্ঞাসিত প্রতিটি গুণাবলী কীভাবে ভগবান শ্রীরামের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে নারদ মুনি তা বর্ণনা করেছেন। যিনি আদর্শ মানুষ হতে চান, তাঁর উচিত এই গুণসমূহ লালন করা এবং ভগবান শ্রীরামের মধ্যে এর সবগুলোই ছিল। সেগুলো হলো : ১. গুণবান : সকলের শ্রেষ্ঠ হতে হলে উচ্চবংশে জন্ম, উচ্চ শিক্ষা ও ঐশ্বর্য থাকা প্রয়োজন । এমনকি এর একটি থাকলেও মানুষ অহংকারী হয়ে ওঠে। আর যার মধ্যে সবগুলোই রয়েছে সে যে উদ্ধত হবে তা তো সহজেই অনুমেয়। একজন গুণবান ব্যক্তি হচ্ছেন তিনি যার উচ্চবংশ, ধনসম্পদ ও উচ্চশিক্ষা থাকা সত্ত্বেও তিনি সুশীল বা সকলের প্রতি ভদ্র ও অমায়িক। ভগবান শ্রীরামের মধ্যে এই তিনটিই পূর্ণরূপে ছিল, তবুও তিনি সকলের প্রতি অমায়িক ছিলেন। গুহ (একজন উপজাতি নেতা), সুগ্রীব (একটি বানর) এবং বিভীষণ (একজন রাক্ষস) এর সাথে বন্ধুত্ব করে ভগবান শ্রীরাম এই গুণটি প্রদর্শন করেছিলেন। ২. বীর্যবান : একজন শক্তিশালী ব্যক্তি। খর, দূষণ, রাবণ ও কুম্ভকর্ণের সাথে যুদ্ধে ভগবান শ্রীরাম এই গুণটি প্রদর্শন করেছেন। 9. ধর্মজ্ঞ : ভগবান শ্রীরাম যে ধর্মটি অনুসরণ করেছেন তা হচ্ছে সুরক্ষার ধর্ম, যা তাঁর সম্পূর্ণ শরণাগত ভক্তদের মুক্তি নিশ্চি...

*শিবরাত্রির ব্রত কবে পালন করা হবে?"

শিব চতুর্দশী ব্রতের শুদ্ধ তিথি কবে? (যারা শাস্ত্রীয় রেফারেন্স চাইছিলেন, তাদের উদ্দেশ্যে) ---বেশি করে শেয়ার করে জানিয়ে দিন সকলকে-- ============= উত্তর ============== স্কন্দপুরাণে শিবরাত্রিব্রতনির্ণয় বিষয়ে পরাশর মুনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, অমাবস্যা সংযুক্ত চতুর্দশী তিথিতে শিবরাত্রি ব্রতই শিবের প্রিয় , কোন অবস্থাতেই ত্রয়োদশীযুক্ত চতুর্দশীতে ব্রত করা যাবে না। মাঘাসিতং ভূতদিনং হি রাজমুপৈতি যোগং যদি পঞ্চদশ্য ।।  জয়াপ্রযুক্তাং নতু জাতু কুৰ্য্যাচ্ছিবস্য রাত্রিৎ প্রিয়কচ্ছিগ্যেতি।। 🔺[ স্কন্দপুরাণ, হ.ভ.বি ১৪।১৩।৭০, পরাশর উক্তি ]🔺 বঙ্গানুবাদ: পরাশর মুনি বললেন, " হে নৃপ ! মাঘ মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে অমাবস্যাযোগ হইলে সেদিন শিবরাত্রিব্রত করিবে; উহা মহাদেবের পরমপ্রীতিকর।  কিন্তু ত্রয়োদশীযুক্তা  চতুর্দশী তিথি সর্বাবস্থায় ত্যাজ্যা।" ১৮ তারিখ সারাদিনই ত্রয়োদশী, রাত্রিতে ১ম প্রহরের একেবারে শেষ সময়ে চতুর্দশী তিথি লাগবে। অতএব, ১৮ তারিখের চতুর্দশী তিথি ত্রয়োদশী দ্বারা বিদ্ধা(দূষিত)। বিদ্ধা তিথিতে তাই শুদ্ধভক্তগণের চতুর্দশী ব্রত করা নিষেধ।  পূর্ব্বিদ্ধা ন কর্ত্তব্যা তৃতীয়া ষষ্...

গঙ্গাসাগরের_পুণ্যস্নান_ও_তীর্থভূমি

বাংলা ৩০ শে পৌষ ১৪২৯ ইংরাজি ১৫ ই জানুয়ারি ২০২৩ রবিবার  উত্তরায়ন সংক্রান্তি  দিবা  ১১ টা ৪৭ মিনিট এর মধ্য গঙ্গাসাগরের পুণ্যস্নান সম্পুন্ন করতে হবে।  👉কপিল মুনির আশ্রমকে কেন্দ্র করেই  পূণ্যস্নানও কপিল মুনির কাহিনী বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব পৌষ পার্বণ  বা মকর সংক্রান্তি  দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সাগরদ্বীপে প্রত্যেক বছর আয়োজন হয় গঙ্গাসাগর মেলার  কপিল মুনির আশ্রমকে  কেন্দ্র করে পুণ্যস্নান ও বিরাট মেলা অনুষ্ঠিত হয়। গঙ্গায় পবিত্র স্থান করতে সেখানে দূর দূর থেকে আসেন লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী।   👉কপিলমুনি ও সাগরদ্বীপে তাঁর মন্দিরের আসল কাহিনী।  গঙ্গাসাগরে কপিল মুনির আশ্রম সাগরদ্বীপে প্রত্যেক বছর আয়োজন হয় গঙ্গাসাগর মেলার। কপিল মুনির আশ্রমকে কেন্দ্র করে পুণ্যস্নান ও বিরাট মেলা অনুষ্ঠিত হয়।প্রতি বছর মকর সংক্রান্তিতে ভিড় জমান লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী। বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব পৌষ পার্বণ  বা মকর সংক্রান্তি  পৌষ মাসের শেষ দিন পালন করা হয়। তবে এই উৎসবকে ঘিরে লোককথা শোনা যায...

# 'উত্থান' বা 'প্রবোধিনী' একাদশীর মাহাত্ম্য :-

কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী মাহাত্ম্য স্কন্দপুরাণে ব্রহ্মা নারদ সংবাদে বর্ণিত আছে।  মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন---হে পুরুষোত্তম! কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম আমার কাছে কৃপা করে বর্ণনা করুন।  শ্রীকৃষ্ণ বললেন---হে রাজন! কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী 'উত্থান' বা 'প্রবোধিনী' নামে পরিচিত। প্রজাপতি ব্রহ্মা পূর্বে নারদের কাছে এই একাদশীর মহিমা কীর্তন করেছিলেন। এখন তুমি আমার কাছে সেই কথা শ্রবণ কর।  দেবর্ষি নারদ প্রজাপতি ব্রহ্মাকে বললেন---হে মহাত্মা! যে একাদশীতে ভগবান শ্রী গোবিন্দ শয়ন থেকে জেগে ওঠেন, সেই একাদশীর মাহাত্ম্য আমার কাছে সবিস্তারে বর্ণনা করুন। ব্রহ্মা বললেন---হে নারদ! উত্থান একাদশী যথার্থই পাপনাশিনী, পুণ্যকারী ও মুক্তি প্রদানকারী। এই ব্রত নিষ্ঠা সহকারে পালন করলে এক হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞ ও শত শত রাজসূয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়। জগতের দুর্লভ বস্তুর প্রাপ্তির কথা কি আর বলব। এই একাদশী ভক্তি পরায়ন ব্যক্তিকে ঐশ্বর্য, প্রজ্ঞা, রাজ্য ও সুখ প্রদান করে। এই ব্রতের প্রভাবে পর্বত প্রমাণ পাপরাশি বিনষ্ট হয়। যারা একাদশীতে রাত্রি জাগরণ করেন, তাদের সমস্ত পাপ ভস্মীভূত হয়। শ্...
 # রা ধাষ্টমীমহোৎসব আগামী # রবিবার ( 04/09/2022 ) আপনারা সকলে আমন্ত্রিত , এবং সবাই কিছু কিছু সাহায্য করবেন যাতে আমরা রাধারানীর কৃপা ও আশীর্বাদ লাভ করতে পারি। এবং রাধাষ্টমী মহোৎসব  অর্থাৎ রাধারানীর শুভ আবির্ভাব তিথি সকলে একত্রিত হয়ে আনন্দের সহিত  #রাধাকৃষ্ণের আশীর্বাদ নিয়ে সফল করতে পারি। # স্থা ন:ঢেঙ্গাপাড়া( দহিজুড়ী) # মো বাইল_নম্বর: - 8927815212/8670542992 # Online_Donation 📲    আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী দান করুন:- # PayTm_GooglePay_PhonePay_NO:- 8250574343 /  8927815212 #সকালথেকেআমাদের_অনুষ্ঠান:- (1) 07:00am -09:00am মহানগর সংকীর্তন পরিক্রমা। (2) 09:05 am-10:30 am  কীর্তন মেলা (3) 10:30 am-11:00 am  লীলা কথা শ্রবণ। (4)11:00 am - 12:00pm  রাধারানীর মহা-অভিষেক। (5) এবং মহা মহাপ্রসাদ (01:00 pm)  🙏  হরে কৃষ্ণ 🙏     নিমন্ত্রণ রইল।
 HAPPY JANMASTAMI #বাড়িতে_কিভাবে_জন্মাষ্টমী_পালন_করবেন ? আগামী ১৯ আগষ্ট শুক্রবার পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৮ তম জন্মদিন শুভ জন্মাষ্টমী। শুভ জন্মাষ্টমীর-২০২২ উপলক্ষে সবাইকে জন্মাষ্টমীর কৃষ্ণ প্রীতিও শুভেচ্ছা রইল। সকলেই জন্মাষ্টমী উপবাস ব্রত পালন করবেন। পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্ম তিথিকে "জন্মাষ্টমী" বলা হয়। জন্মাষ্টমীর উপবাস ১৯ আগস্ট শুক্রবার। কিভাবে জন্মাষ্টমীর উপবাস পালন করব? আগের দিন বৃহস্পতিবার রাত ১২ টার আগে অন্ন প্রসাদ পাবেন। পরের দিন শুক্রবার সকাল থেকে মধ্যরাত্রি পর্যন্ত উপবাস এবং জাগরণ। উপবাস থেকে হরিনাম জপ, কৃষ্ণ লীলা শ্রবন, ভগবানকে দর্শন, ভক্ত সঙ্গে হরিনাম কীর্তন, অভিষেক দর্শন করতে হবে এবং ভগবানকে অভিষেক করে একাদশীর দিনের মতো অনুকল্প প্রসাদ সেবন করতে হবে। আর যাদের উপবাস পালনে সমস্যা, অসুস্থ, তারা অবশ্যই দুপুর ১২ টার পরে, কৃষ্ণের কাছে ক্ষমা চেয়ে, একটু দুধ, বা ফল খেতে পারবেন। পরের দিন সকালে স্নান করা শেষে ভগবানকে ভোগ নিবেদন করে, কৃষ্ণ প্রসাদ দিয়ে পারন করবেন। শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ শ্রী অদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ। হরে কৃষ্ণ হ...
 " হ রিদাস ছিলা পৃথিবীর শিরোমনী যাহা বিনা রত্নশুন্য হইলা মেদিনী ।।""(চৈ,চ,ম) আজ ১ সেপ্টমবর মঙ্গলবার ২০২০ইং,। নামাচার্য শ্রীলহরিদাস ঠাকুরের শুভ প্রয়ান দিন বা নির্যান তিথী।  তিনি ছিলেন নামের আচার্য, যার কাছে যুগধর্ম হরিনাম সংকীর্তন প্রবক্তা স্বয়ং শ্রীম্নমহাপ্রভু হরিনাম শিখেছিলেন। তিনি বলেছিলেন---- হরিদাস আমি তোমার কাছ থেকে নাম শিখলাম। তুমি আমার নামের গুরু। নামাচার্য শ্রীল হরিদাস ঠাকুরের মহিমার অন্ত নেই। তিনি যশোহর জেলার ব্যূঢ়ন গ্রামে যবনকুলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। অনেকে বলে থাকেন তিনি ব্রাহ্মণকুলে জন্মগ্রহণ করছিলেন, কিন্ত সঙ্গদোষে যবন হন। তাদের সেই ধারণা ভ্রান্ত। যেমন শ্রীরামচন্দ্রের শ্রেষ্ঠ ভক্ত হনুমান বানরকুলে, ভক্তশ্রেষ্ঠ প্রহ্লাদ অসুরকুলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তেমনই হরিদাস ঠাকুর যবনকুলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ভগবানের ভক্ত ভগবানের ইচ্ছায় যে-কোন স্থানে, যে-কোন কুলে জন্মগ্রহণ করতে পারেন,তিনি এই সবের উর্ধ্বে অপ্রাকৃত স্তরে অবস্থান করেন। প্রকৃতপক্ষে হরিদাস ঠাকুর ছিলেন স্বয়ং ব্রহ্মা। বৃন্দাবনলীলায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যখন গোপবালক রূপে তাঁর সখাগণ সহ গোষ্ঠে বাছুরগুলিকে চরাচ্ছিলেন, তখন ব্রহ...

কৃষ্ণ ভক্ত কি পরিবারের খেয়াল রাখে না???

''স্ত্রী,পুত্র,ধন,ঐশ্বর্য ও গৃহের প্রতি অনাসক্ত হওয়ার অর্থ এই নয় যে,তাদের প্রতি কোনো অনুভূতি থাকবে না। তাদের প্রতি স্নেহের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু তারা যদি পারমার্থিক উন্নতি সাধনের অনুকুল না হয়,তা'হলে তাদের প্রতি আসক্ত হওয়া উচিত নয়। গৃহকে আনন্দময় করে তোলার শ্রেষ্ঠ প্রক্রিয়া হচ্ছে কৃষ্ণভাবনার অনুশীলন। কেউ যদি পূর্ণরূপে কৃষ্ণভাবনাময় হন,তা হলে তিনি অনায়াসে তাঁর গৃহকে অতি মনোরম সুখের আলয়ে পরিণত করতে পারেন। কারণ কৃষ্ণভক্তির এই পন্থা অতি সরল। কেবলমাত্র প্রয়োজন... 'হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে'॥ এই মহামন্ত্র কীর্তন করা,কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণ করা,ভগবদ্গীতা ও শ্রীমদ্ভাগবত আদি শাস্ত্র আলোচনা করা এবং ভগবানের শ্রীবিগ্রহ অর্চনা করা।

আত্মতত্ত্ব বিজ্ঞান বিষয়ক ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর...

১। আমি কে? উঃ আমি চিন্ময় আত্মা, স্থুল জড় দেহ নই। ২। আত্মা কি? উঃ জীবাত্মা পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নিত্য অবিচ্ছেদ্য অংশ। ৩। আত্মার নিত্যধর্ম কি? উঃ ভগবান পূর্ণ, আত্মা তার অংশ, তাই জীবাত্মার নিত্য ধর্ম হচ্ছে ভগবানের সেবা করা, কেন না অংশের কাজ হচ্ছে পূর্ণের সেবা করা। ৪। মনের ধর্ম কি? উঃ মনের ধর্ম সংকল্প ও বিকল্প। ৫। দেহের ধর্ম কি? উঃ দেহের ধর্ম ভোগ আর ত্যাগ। ৬। দেহের ছয়টি পরিবর্তন কি কি? উঃ *জন্ম *বৃদ্ধি *সন্তান-সন্তুতি সৃষ্টি *স্থিতি *ক্ষয় *মৃত্যু। ৭। জীবের 'স্বরূপ' কি? উঃ জীবের 'স্বরূপ' হয় কৃষ্ণের নিত্যদাস। ৮। আত্মার আকার কি? উঃ আত্মার আকার চুলের অগ্রভাগের দশ হাজার ভাগের এক ভাগ। তা এতই ক্ষুদ্র যে এই জড় চক্ষু দিয়ে বা যন্ত্রের সাহায্যে আত্মাকে দর্শন করা যায় না। এ ছাড়া আত্মা জড় পদার্থ নয়, তাই জড়ীয় ইন্দ্রিয় ও যন্ত্র দিয়ে তা দেখা অসম্ভব। ৯। জড় জগৎ কি? উঃ জড় জগৎটি ভগবানের বহিরঙ্গা ত্রিগুণাত্মিকা মায়া শক্তির প্রকাশ। ১০। কি কি উপাদান দিয়ে জড়-জগৎ তৈরী হয়েছে? উঃ ভূমি, জল, বায়ু, অগ্নি, আকাশ, মন, ‍বুদ্ধি এবং অহংকার এই আটটি উপাদান দিয়ে এই জড়-জগৎ তৈরী হয়েছে। ১১। পঞ্চ মহাভূত কি?...

মায়াপুর ভ্রমণ 4দিন ব্যাপী..

প্রভুপাদ শিক্ষা সম্মেলন 2020.. আপনারা যারা নাম রেজিস্টার করতে চান 5 ফেব্রুয়ারির মধ্যে আপনারা নাম নথিভুক্ত করুন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য এই নম্বরে কল করুন -8250574343

 #হরেকৃষ্ণ রেজিস্ট্রেশন চলছে আপনারা রেজিস্ট্রেশন করাতে চাইলে আমাদের এই ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন.. * অভিজিৎ প্রভু- 8250574343 * Paytm নাম্বার -8250574343
লাইক, কমেন্টস, শেয়ার...